মামলার আরজিতে উল্লেখ করা হয়েছে, গত ১৯ জুলাই শহরের জেলখানার মোড়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে সময় নির্বিচার গুলি চালালে আজিজুল গুলিবিদ্ধ হন। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তিন দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর ২২ জুলাই দিবাগত রাতে আজিজুল মারা যান। শেখ হাসিনা, ওবায়দুল কাদের ও আসাদুজ্জামান খান কামাল শক্ত হাতে আন্দোলন দমনের নির্দেশ দিয়েছিলেন। আসামিদের নির্দেশে ছাত্র-জনতার যৌক্তিক ও শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে কোনো ধরনের উসকানি ছাড়াই আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ ও শ্রমিক লীগের নেতা-কর্মীরা একযোগে পিটিয়ে ও গুলিবিদ্ধ করে শিক্ষার্থীদের হতাহত করেছিলেন।
আদালত সূত্র জানায়, গত সোমবার মামলার বাদী আলমাছ মিয়া শেখ হাসিনাসহ ১১৪ জনের নাম উল্লেখ করে আদালতে মামলার আবেদন করেছিলেন। তখন আসামি হিসেবে সাবেক শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ুন, জেলা প্রশাসক বদিউল আলম, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান, নরসিংদী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তানভীর আহমেদ, জেলা গোয়েন্দা শাখার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা খোকন চন্দ্র সরকার, নরসিংদী পৌরসভার সাবেক মেয়র কামরুজ্জামানের নাম ছিল। পরে ৩৩ জনের নাম বাদ দিয়ে ৮১ জনের বিরুদ্ধে আজ মামলা করা হলো।
নরসিংদী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তানভীর আহমেদ বলেন, ‘আদালতের নির্দেশ এখনো হাতে পাইনি। আদেশের কাগজ হাতে পাওয়া মাত্রই মামলা রেকর্ড করা হবে।’
Source link
