ছবি দিয়ে ব্ল্যাক ম্যাজিক?!
শিরোনাম হয়তো চটকাদার মনে হতে পারে যে ক্লিকবেইট টাইপ পোস্টে প্রবেশ করানোর জন্য অগত্যা এমন পোস্ট করা – নাহ, তাতে আমার লাভ নেই কেননা (১) TrickBD এর সকল রিভিনিউ পরবর্তীতে ট্রিকবিডির ভিজিটর বা কনট্রিবিউটরদের জন্য ইতিমধ্যেই TrickBD সাপোর্ট টিম’কে অবগত করেছি এবং (২) অহেতুক ক্লিকবেইট টাইপ পোস্ট পড়িয়ে শেষে কোন শর্ত জুড়ে দেওয়া নয় – লেখার আনন্দেই ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ মাত্র; আর তাতেই স্যাটিসফেকশান!
তাহলে আসুন সবার আগে এটাই জানা যাক আসলেই কি ফটো দিয়ে ব্ল্যাক ম্যাজিক করা যায়? যেখানে ব্ল্যাক ম্যাজিক বিষয়টা ধর্মীয় এবং বিশ্বাস ও অবিশ্বাসের ওপর বেইজ করে – তাই অহেতুক তর্কাতীত বিষয় ছাড়াও আদৌ গ্রহণযোগ্য ঠিক এমন আছে?!
যে যেমনই ধর্ম/বর্ণ/ বিশ্বাস বা অবিশ্বাস কিংবা আস্তিকতা বা নাস্তিকতা সকল কিছুর উর্দ্ধে এই জাদুর বিষয়টা পরিষ্কার করা যাক [সাইকোলজিক্যাল কনসার্ন হতে বিবেচ্য]…
সাইকোলজিক্যাল ব্যাখ্যা
মানুষের ফটো দিয়ে ব্ল্যাক ম্যাজি’ক করার বিষয়ে আমরা বেশ শুনেছি তবে কালো জাদু যেহেতু সম্পূর্ণই অবৈজ্ঞানিক এবং যতোটা ইফেক্ট বা ইমপ্যাক্ট সেগুলো সাইকোলজিক্যাল (কন্ডিশন ওয়াইজ ইমপ্যাক্ট, সাইকোসিস, প্লাসিবো, মেন্টাল কন্ডিশন উইথ এনভায়রনমেন্ট, বিলিফ ইত্যাদি) ও কাকতালীয় সুতরাং “ছবি দিয়ে কালো জা’দু” বিষয়টা শুরুতেই খারিজ করা চলে [এখানে বলে রাখা ভালো যে এটি সম্পূর্ণ অবিশ্বাসী মনোজগতে যারা কেবল যুক্তি ধারণ করেন তাদের জন্য প্রযোজ্য – আপনি যদি বিশ্বাস হউব তবে তো আরও জরুরি যে এই বিষয়টা জানা কেননা আপনার সাইকোলজিক্যাল কন্ডিশনের সাবকনশিয়াস মাইন্ড এসব বিষয়ে অন্যদের অপেক্ষা অধিক সেনসেটিভ] ।
তবে আমি একটু ভিন্ন পার্সপেক্টিভে একই পারসেপশন নিয়ে এটাকে ব্যাখ্যা করতে চাইবো…
আপনি একজন এনোনিমাস!
ধরুন আপনি এনোনিমাস (বাস্তব এবং ভার্চুয়াল) এখন আপনি যাই করেন সেটার বিষয়ে কিন্তু পরিবেশগত কোন দায় (দায়বদ্ধতার স্বরূপ দায়িত্ব) ম্রিয়মাণভাবে উপলব্ধি করেন – অর্থাৎ আপনি এক প্রকার সুপ্ত স্বাধীনতা উপভোগ করেন যা অবচেতন মনের স্বীয় স্বৈরাচারী মনোভবের এক অপরূপ বহিঃপ্রকাশ (স্যাটিসফেকশান); কিন্তু যখন আপনার ফেইস সবার সামনে রিভিল হচ্ছে (আপনি ভালো/মন্দ যেমনই হউন) তখনই এক সেই অদৃশ্য স্বাধীনতা লোপ পায় এবং আপনি সিকিউরিটিলেস হয়ে যান! আপনি আপনার নিজের কাছেই বন্দী হয়ে যান…..
[এগেইন: আপনি ভালো/মন্দ সেটা ম্যাটার করে না – আপনার স্বীয় মনোভব যেমনই হউক সেটার সহজাত লেয়ার ব্রেকডাউন হচ্ছে – এতেই আপনার জীবন হয়ে উঠতে পারে নিঃশেষিত]; এটার আরেক সাইকোলজিক্যাল ডিসোসিয়েটিভ সিমিলারিটি হলো অদৃশ্য আওয়াজ শোনা, কেউ ফলো করেছে এমনটা ভেবে ভয়, সর্বদা সংকোচ, আপনার ভেতরের প্রতিভা প্রকাশের অন্তরায় ইত্যাদি।
একটু গড়মিল লাগছে তাইনা?! আসুন বিষয়টা উদাহরণসহ বুঝিয়ে বলি নয়তো প্যাচ’টি বুঝতে পারবেন না….
- ধরুন আপনি বাসে করে কোথাও যাচ্ছেন এবং যার পাশে বসে আছেন তিনি মানিব্যাগ খুলে যখন টাকা দিচ্ছে বাসের ভাড়া তখনই আপনার নজরে এলো আপনার ফটো তার মানিব্যাগের ফটো রাখার এড্রেস শ্লটে রাখা – আপনার অবাক লাগবে না? অবশ্যই প্রশ্ন করে বসবেন কিংবা ইনট্রোভার্ট হলে কৌতুহল চেপে গিয়ে মাথার ভেতর কতো কি ভাবনা শুরু হবে….
- একটু অন্য ঘটনার দিকে আলোকপাত করলে আপনার পাড়া পড়শী বা আত্মীয় কিংবা কাজিন এর খালা শাশুড়ী এই জাতের (সরি…বিশেষ্যপদ একটু বেশীই বিশেষণ হয়ে গিয়েছে) মানুষেরা হঠাৎ আপনার একটা পাসপোর্ট সাইজের ফটো চেয়ে বসলো – যদিও কিনা আপনাদের মাঝে সম্পর্ক ততো একটও ভালো না।
আপনি একটু কম বয়সী – একটু ভীতু – খানিক বিশ্বাসী আর গ্রামের দিককার হলে সব মিলিয়ে খানিক সন্দেহ তো তৈরী হবেই।
আবার সত্যি সত্যিই যদি আদৌ তারা ভিন্ন উপায়ে আপনার ছবি নিয়ে গ্রাম্য কবিরাজিতে জাদু করার রিচুয়াল করে তখন কি হবে?!
আসলেই তো তখন কি হবে?!
তখন সেই জাদু কাজ করুক কি ছাই না করুক – আপনার মাথায় ইতিমধ্যেই সন্দেহ আর ভয়ের সাথে সংশয় মিলে মিশে এক ডিপ্রেসিভ সিচুয়েশান তৈরী করবে।
সাইকোলজিক্যাল ডিফাংশনাল কন্ডিশন
এটাকে সাইকোলজিক্যাল ডিফাংশনাল কন্ডিশন বলা হয় – এটি মস্তিষ্কের আর্লি মেকানিজম সিস্টেম যেখানে ডিফেন্সিভ কন্ডিশনে আপনার মস্তিষ্ক সতর্কতার কিছু হরমোন নিঃসরণ করবে:
- Adrenaline [হৃদস্পন্দন বাড়াবে – রক্তচাপ বাড়াবে – ফাইট-অর-ফ্লাইট সক্রিয় করে তুলবে]
- Noradrenaline [সতর্ক করবে – মনোযোগ তীক্ষ্ণ করে সন্দেহ ও ভীতি জাগাবে]
- Cortisol [দীর্ঘমেয়াদি স্ট্রেস তথা অতীত স্মৃতির সাথে কোন ট্রমা জড়িয়ে নিবে এবং অবচেতনে তা ট্রিগার করবে – একইসাথে উদ্বেগ ও নেতিবাচক চিন্তা বাড়াবে ফলে অযাচিত ডিপ্রেশন ও ফ্রাস্ট্রেশন ভর করবে অথচ আপনি কারনই খুজে বের করতে পারবেন না – সবিশেষ এনার্জি ম্যানেজমেন্টে ইন্ট্যারএ্যাক্ট করে আপনাকে ফিজিক্যালি দূর্বল করবে – ঠিক এইটাই আপনার চোখে নজর কাড়বে যে আপনার “অমুক” হচ্ছে]
- Vasopressin [ভয় ও উদ্বেগ বাড়িয়ে কন্টিনিউস রাখে এবং সর্বদা সামাজিক বা পরিবারিক হুমকি শনাক্ত করে অযাচিতভাবেই]
- CRH [পুনরায় স্ট্রেস সিস্টেম চালু রাখে এবং – অস্থিরতা বাড়া ACTH কে ট্রিগার্ড করে কর্টিসল নিঃসরণ করিয়ে স্ট্রেস’কে লং টার্ম ট্রোমাতে পরিণত করে; অন্যদিকে NPY (Neuropeptide Y) এর টোটাল সিস্টেম ম্যানেজমেন্টে কলাপস করায়]।
কি আশ্চর্য লাগছে?!
মনে হচ্ছে এতো জটিল কিছু হয় নাকি রে বাপু?
হ্যা রে বাপু হয়….ঐগুলো মাথার মাঝে যেসব নিউরনে নিউরনে ইলেক্ট্রিক ইম্পলাসে সামান্য এসি সাইন ওয়েভে সিনাপস টু সিনাপস সিগন্যাল বাহিত করে তাতে এসব হয়েই থাকে; বিশ্বাস না হলে জার্নাল তো রইলোই [আমিই লিংক দিচ্ছি পিয়ার রিভিউড জার্নাল এর Understanding our fears এবং The Vasopressin 1b Receptor Antagonist A-988315 Blocks Stress Effects on the Retrieval of Object-Recognition Memory বড় লেখা দেখে পালাইয়েন না কিন্তু পারলে আমার মতো গর্দভ হলে ট্রান্সলেট করেও বাংলাতে পড়ে মজা ও শিক্ষা উভয়ই পাবেন :-/ ]।
হুমমম…আমরা মূল পোস্টে ফেরত আসি!
এতোসব জ্ঞানী জ্ঞানী কথা রেখে আসুন আবার ফিরে আসি কালো জাদুতে যেখানে ফটো দিয়ে কিভাবে জাদু করা হয়!
এই যে আপনি কালো জাদুতে ব্যবহৃত উক্ত ব্যক্তির ফটো, কাপড়, নখ, চুল, বান বা ভুডুতে পুতুল, সূচ ফুটানো, তালা লাগিয়ে জলে ক্ষেপন, মাছের পেটে তাবিজ দিয়ে ছেড়ে দেওয়া, কাকের মুখ আটকে ছেড়ে দেওয়া ইত্যাদি এর বিষয়ে জেনে থাকবেন – এটা কেবলি ঐ ব্যক্তিকে সংশ্লিষ্ট করে যতোটা সম্ভব আপনার আপন মনের ভেতরে থাকা বিশ্বাসী প্রবণতাকে ইউটিলাইজ করার প্রয়াস [অর্থাৎ কারোর ক্ষতি যদি আপনি করতে চান তবে আপনার মনে সবার আগে ঐ বিষয়ের একটি শক্তিশালী নেগেটিভ ও কড়া মানের শত্রু ভবাপন্ন এনার্জি সেট জেনারেট হয়] >>>> এখন সেটা আপনার মাধ্যমে ঐ ব্যক্তি কৃর্তৃক পৌছায় [কিভাবে পৌছায়? – এই যেমন আপনাকেই বলা হবে অমুক নদীতে ফেলে আসো – তমুক কবরের মাঝে রাতের এই প্রহরে পুতে আসো ইত্যাদি; আর না বলি….] >>>> এখন আপনি নিশ্চয়ই কিছু যে করেছেন সেটার একটা ফিডব্যাক তো চাই; তাই আপনার সুপ্ত মনোঃকামনা কোনভাবে যদি তার নিকট পৌছানো যায় [এমন যেন পাড়াপড়শির আলাপ: অমুক না তমুক’কে তাবিজ করেছে তাই এই সেই হচ্ছে / ঐ মানুষটা একদম শুকিয়ে যাচ্ছে / কোন আয় উন্নতি নাই সব বরকত হারিয়ে গেছে ইত্যাদি ভাবে…] >>>> তখন ঐ ব্যক্তির অবচেতন মনের অংশ যুক্তির উর্দ্ধে গিয়ে ট্রিগার করে; এমনকি আমাদের মস্তিষ্কের এমনও আরও জটিল কিছু ক্রিয়া কৌশল আছে যা আমরা এখনো আবিষ্কার করতে পারিনি পরিপূর্ণ সমাধান যেমন মস্তিষ্কের কোয়ান্টাম Orchestrated Objective Reduction (Orch-OR Theory) যাতে “Consciousness = Quantum collapse events-এর সিকোয়েন্স” [প্রমাণিত নয় তবে রিসার্চ চলছে – একদম অবৈজ্ঞানিক এটা বলার উপায় নেই বরং এভিডিয়েন্স ও উপাত্ত আছে]।
হুমম…যদি জাদুকরী কিছুর আধ্যাত্মিক বয়ান না রাখি তাহলে নিরেট সাইকোলজিক্যালি এমন সব ঘটনা অহরহ ঘটছে এবং ঘটে; অন্যদিকে ঐসব কবিরাজীর বেশ নানান কিছু ট্রিক থাকে বৈকি। সেইসব আলোচনা করলে আরও দীর্ঘ আলাপ হয়ে যাবে তবে একটি ছোট্ট উদাহরণ দিই – এমন একটি প্রচলিত আমাদের আশেপাশেই গাছ আছে যা তীব্র সাইকেডেলিক সেটার পাতা ও বীজ চূর্ণ করে যদি ধূপের সাথে মেশানো হয় তাহলে আপনি যতোই বিজ্ঞান মনা হউন না কেন আদতে ঐ রাসায়নিক প্রভাবে আপনি হায়োসিন দ্বারা তীব্রভাবে হ্যালুসিনেট করবেন এবং আপনার ভ্রম শুরু হবে – তদুপরি ঐ সময়ে আপনার সকল কথা আপন মনেই বলা শুরু করে দিবেন! দিস ইজ সাইকোলজি – এটা জাদু নয়! [ঐ আপনারা যেমন ফান করে বলেন “এটাই সায়েন্স” তেমনি বললাম]।
অন্যদিকে ঐসব রিচুয়ালে সংশ্লিষ্টতা বা রিলেটিভিটি (রিলেট অর্থে) যেসব রিচুয়াল (ধর্ম হতে আগত) কুফরি, মন্ত্র, তন্ত্র, ক্রুড ইত্যাদি তাতেও দেখবেন ঐসব আয়াত, মন্ত্র ইত্যাদি আসলে ঐরকম কোন ঘটনারই সাদৃশ্যতা – ইভেন তাবিজে লেখা অক্ষরগুলোও আসলে সেইসব আয়াতের বা মন্ত্র শ্লোক এর সংখ্যাগত পরিচিতি মাত্র [ডিপলী রিসার্চ করলে সাদৃশ্যতা পাবেন] এটিই প্রবলভাবে সাবকনশিয়াস মাইন্ড’কে এট্রাক্টিভ করে তুলে।
আপনার কনফিউশন এবং সমাধান:-
আপনি এখন বলতেই পারেন আমি এসব বাড়িয়ে বলছি যা তা…তাইনা?
তাহলে বিভিন্ন হসপিটাল ও ডায়াগনস্টিক এর সাইকিয়াট্রিস্ট বিভাগে একটু খোঁজ রাখুন সেখানে কতোটা DID, Generalized Anxiety Disorder (GAD), Panic Disorder, Phobias (Specific Phobia), Social Anxiety Disorder (Social Phobia), Separation Anxiety Disorder, Agoraphobia, Post-Traumatic Stress Disorder (PTSD), Acute Stress Disorder, Adjustment Disorder with Anxiety, Selective Mutism (fear-based) এর মতো রোগীর অভাব নেই – আবার সিরিয়াল দিতে দিতেও দিনের শুরুর ডাক্তার দেখাতে সন্ধ্যা পার….সুতরাং এরপরও কি কনফিউশান থাকছে?!
থাকছে তো বটেই!
আমি মেন্টালি শতভাগ ফিট হই তাহলে এটা আমাকে তো আবিষ্ট করবে না, তাইনা?
হ্যা, সত্য – আপনি যতোটা নিজেকে মানসিকভাবে স্থিতিশীল রাখবেন ততোই এসব হতে সুরক্ষিত থাকবেন। তবে কিন্তুর মাঝেও কিন্তু থাকে – সেই অভ্যন্তরীন “কিন্তু” হলো আমাদের সবার মনের মাঝেই সাবকনশিয়াস তথা অবচেতন স্তরে থাকে ইমোশন, ভয় ভীতি, বিশ্বাস – এগুলো এতোটাই প্রগাঢ় যে আমাদের ডিএনএ তে অবধি গড জিন এর উপস্থিতি বিরাজমান; আজও অন্ধকারে আমরা ভয় পায়। আর ঐ এই অন্ধকারে থাকা যে মানুষটার ফেইস আপনি রিভিল করছেন – আক্ষরিকভাবেই আপনি যেচে পড়ে শয়তানকে আমন্ত্রণ করছেন (যেটাকে ডেভিল কলিং বলে); এখানে শয়তানটা আর কেউ নয় বরং আপনার ভেতরের বিশ্বাসী মনোভবের বিপরীত সত্ত্বা মাত্র [এই কথাটা হজম করা কঠিন – অন্যদিন হয়তো আলাপ হতে পারে]।
আমি এখন কি করবো?!
এতোকিছু না হয় পড়লাম কিন্তু এসব পড়ে আমার লাভ কি হইলো?
লাভ হইলো এটাই যেটা আপনার ব্রেইনে গেঁথে গেলো- পরবর্তীতে ভয়ের সংক্রমণ হলে ভূতটাকেই মেরে ফেলে ভয়কে জয় করতে পারবেন; আইমিন সহজভাবে বললে কনশিয়াসলি আপনার মাথায় Logic ও Knowledge এর নিউরন কানেকশন বিল্ডআপ করা – যাতে পরবর্তীতে এসব বিষয় আপনাকে অবচেতনে আবিষ্ট না করে; ফলে আপনি নিজেই মানসিকভাবে সেইফটি ও সুরক্ষা ফিল করেন।
শত্রুকে বন্ধুতে পরিণত করা!
আর হ্যা কালো জাদুতে যেমন সবিশেষ আপনি যদি ভেবে থাকেন আপনি আপনার শত্রুকে ভ্যানিশ করবেন তবে আপনি আপনার জীবনের সবচেয়ে বড় ভুল করবেন কেননা আপনার শত্রু সর্বদাই আপনাকে নিয়ত অবজার্ভ করছে – যাতে আপনি ভুল হতে বাঁচতে মেন্টাল এলার্ট পান। তদুপরি শত্রুতা সংক্রামক সুতরাং “শত্রুকে বন্ধুতে পরিণত করা ব্যতীত আপনার মুক্তি নেই” (সেটা হউক বাস্তব কি ভার্চুয়াল – এটাও আবার বাস্তবিক অর্থে কিংবা আপন মনে)!
শুভকামনা – হ্যাপি ফ্রাইডে!
✨ টেলিগ্রাম চ্যানেলে যুক্ত হওয়ার আমন্ত্রণ রইলো✨